মার্কেন্টাইল ব্যাংক অটো লোন: নিজের প্রথম গাড়ি কেনার ফিন্যান্সিয়াল গাইড ও টিপস
প্রথমবারের মতো নিজের একটা গাড়ি কেনার স্বপ্ন দেখেন না, এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া দুষ্কর। কিন্তু স্বপ্ন আর বাস্তবতার মাঝখানে সবচেয়ে বড় দেয়ালটা হলো টাকা। ব্যাংক লোন ছাড়া তো আর উপায় নেই। বিশেষ করে মার্কেন্টাইল ব্যাংকের অটো লোনের নাম শুনলেই অনেকের চোখে চকচক করে।
কিন্তু এই লোনটা কি সত্যিই আপনার জন্য সেরা অপশন? আমি নিজে সম্প্রতি তাদের ওয়েবসাইট, গ্রাহক পর্যালোচনা এবং বর্তমান বাজারদর ঘেঁটে দেখলাম। বেশ কিছু মজার তথ্য বেরিয়ে এসেছে। চলুন, ঝটপট সেগুলো জেনে নেওয়া যাক।
বাংলাদেশের গাড়ির বাজার আর ব্যাংকের সঙ্গে সম্পর্কটা আসলে কেমন?
বেশিরভাগ মানুষ ভাবেন, ব্যাংক লোন মানেই সুদ, পেপারওয়ার্ক আর শুধুই জটিলতা। কিন্তু আসলে ব্যাপারটা মোটেও সেরকম না। আমি যখন মার্কেন্টাইল ব্যাংকের অটো লোনের শর্তগুলো খুঁটিয়ে দেখলাম, তখন বেশ আশ্চর্য হলাম। তাদের ওয়েবসাইটে সর্বশেষ হালনাগাদ অনুযায়ী, লোনের মেয়াদ সর্বোচ্চ ৬০ মাস পর্যন্ত হতে পারে। মানে প্রায় ৫ বছর।
সত্যিই?
হ্যাঁ। কিন্তু তার মানে এই না যে আপনি যেকোনো পুরনো গাড়ি নিয়ে ফেলবেন। তারা শুধুমাত্র ২০১৫ সালের পরে নিবন্ধিত গাড়ির জন্য লোন দেয়। এই তথ্যটা আমার কাছে বেশ জরুরি মনে হলো। কারণ বাজারে অনেক ২০১০-১২ সালের দারুণ অবস্থায় থাকা গাড়ি আছে। অথচ সেগুলো এই লোনের আওতায় পড়ে না।
তবে এইখানে একটা মজার ব্যাপার আছে: বেশিরভাগ লেখায় বলে, “ব্যাংক শুধু নতুন গাড়ির জন্য টাকা দেয়।” আমি একমত নই। দেখুন না, মার্কেন্টাইল ব্যাংক ২০১৫ সালের পরের যে কোনো গাড়ির জন্য লোন দিচ্ছে, সেটা নতুন হোক বা পুরনো। তবে হ্যাঁ, পুরনো গাড়ির ক্ষেত্রে লোনের পরিমাণ কিছুটা কম হতে পারে।
আমি নিজে কয়েকজন গ্রাহকের কাছ থেকে শুনেছি, তাদের কেউ কেউ ২০১৬ মডেলের টয়োটা অলিওন কিনেছেন এই লোনেই। আর একজন ২০১৯ সালের হোন্ডা সিটি কিনেছেন, মজার ব্যাপার হলো, ওনার লোনের সুদ অনেক কম পড়েছে। কারণ কী জানেন? গাড়ির বয়স যত কম, ব্যাংকের ঝুঁকি তত কম ফলে আপনার জন্য লোন সহজলভ্য।
পরামর্শঃ যদি আপনার চোখে ২০১৪-২০১৫ সালের কোনো গাড়ি পড়ে, তাহলে আজই মার্কেন্টাইল ব্যাংকের নিকটস্থ শাখায় ফোন করে জেনে নিন ওই গাড়িটি লোনের যোগ্য কিনা। ১০ মিনিটের এই কলই হয়তো আপনার স্বপ্ন বদলে দেবে।
সুদ কেমন? সত্যিই কম নাকি কাগজে কম দেখায়?
এখন আসি আসল কথায়। সুদের হার। ব্যাংকের ওয়েবসাইটে দেয়া সুদের হার হলো ৯% থেকে ১১% পর্যন্ত। কিন্তু এটা কী সবাই পায়? না। একদম পায় না।
আমি এই সংখ্যা নিয়ে কয়েকজন ব্যাংক কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলেছি। তাদের কেউ কেউ আমাকে বললেন, “৯% তো শুধু কাগজে আছে। বাস্তবে ১০% এর নিচে পাওয়া খুব কঠিন।” কিন্তু আবার অন্য একজন বললেন, “আপনার ক্রেডিট স্কোর ভালো থাকলে এবং ন্যূনতম ৩০% জমা দিতে পারলে, ৯.৫% পেতে পারেন।”
কথাটা কী দাঁড়ালো? সোজা কথায়, আপনার ক্রেডিট স্কোর আর জমার পরিমাণ মিলিয়েই সুদের হার নির্ধারিত হবে।
যে কথাটা কেউ বলে না: আপনি যদি প্রথমবার গাড়ি কিনছেন, তাহলে আপনার ক্রেডিট স্কোর হয়তো তেমন ভালো নেই। এক্ষেত্রে ব্যাংক আপনাকে ১১% এর কাছাকাছি সুদ নিতে বাধ্য করবে। ব্যাপারটা মোটেও অস্বাভাবিক না। তবে আমি একটা কাজ করেছি অন্যদের ব্যাংকের অটো লোনের সুদের সঙ্গে তুলনা করেছি।
| ব্যাংকের নাম | সুদের হার (শতকরা) | সর্বোচ্চ মেয়াদ | জমার পরিমাণ |
|---|---|---|---|
| মার্কেন্টাইল ব্যাংক | ৯-১১% | ৬০ মাস | ন্যূনতম ৩০% |
| সিটি ব্যাংক | ১০-১২% | ৪৮ মাস | ৪০% |
| ইস্টার্ন ব্যাংক | ৯.৫-১২% | ৬০ মাস | ২৫% |
| ইসলামী ব্যাংক | ১১-১৩% | ৬০ মাস | ৩৫% |
দেখলেন? মার্কেন্টাইলের সুদের হার বাজারে সবচেয়ে কম দাবি করা হয়। কিন্তু টেবিলটা ভালো করে দেখুন ইস্টার্ন ব্যাংকও প্রায় একই হার দিচ্ছে, আর জমা লাগছে মাত্র ২৫%। অর্থাৎ শুধু নাম দেখলেই চলবে না, হাতের কাছে টাকা কত আছে, সেটাও ভাবতে হবে।
পরামর্শঃ লোনের জন্য আবেদন করার আগে আপনার নিজের ক্রেডিট স্কোর যাচাই করে নিন। বাংলাদেশ ব্যাংকের ক্রেডিট ইনফরমেশন ব্যুরো থেকে অনলাইনে মাত্র ৫ মিনিটে এটি বের করা যায়। সুদের কথাবার্তা শুরু করার আগে এইটা জানাটা অপরিহার্য।
জমা আর কিস্তি: বাস্তব সংখ্যা কী বলছে?
ধরুন আপনি ২০ লাখ টাকার একটা গাড়ি কিনতে চান। মার্কেন্টাইল ব্যাংকের নিয়ম অনুযায়ী, ন্যূনতম ৩০% জমা দিতে হবে। মানে ৬ লাখ টাকা নিজের পকেট থেকে দিতে হবে। বাকি ১৪ লাখ টাকা লোন হিসেবে পাবেন। এখন কিস্তির কথা ভাবুন।
আমি যে তুলনা করলাম: ১০% সুদে ৬০ মাসের জন্য লোন নিলে মাসিক কিস্তি পড়বে প্রায় ২৯,৭৩০ টাকা। আর সুদ যদি ১১% হয়, তাহলে কিস্তি দাঁড়াবে ৩০,৪৫০ টাকা। পার্থক্যটা কিন্তু শুধু ৭০০ টাকা।
তবে এইখানেই শেষ নয়। আসলে, একটু অন্যভাবে বলা দরকার।
আমি নিজে গাড়ির বাজার ঘুরে দেখেছি বর্তমান বাজারে ২০১৮ মডেলের একটি করোলা প্রায় ১৮ লাখ থেকে ২২ লাখে পাওয়া যাচ্ছে। আপনার পছন্দের গাড়ির দাম যদি ১৮ লাখ হয়, তাহলে জমা দিতে হবে ৫.৪ লাখ টাকা। বাকি ১২.৬ লাখ টাকার লোন।
আসল চ্যালেঞ্জ: ব্যাংক আপনাকে ১২.৬ লাখ টাকাই লোন দেবে। কিন্তু গাড়ির বাজারদর কখনোই নির্দিষ্ট না। ডিলার আর ব্যাংকের মূল্যায়নের মাঝে গ্যাপ থাকতে পারে। আমি কয়েকজন গ্রাহকের কাছ থেকে শুনেছি, তাদের একজনের বেলায় ডিলার বলেছিল ১৯ লাখ, আর ব্যাংকের মূল্যায়ন হয়েছিল ১৭ লাখ। ফলে তাকে বাকি টাকা নিজের পকেট থেকে যোগাড় করতে হয়েছে। এটা অনেক বড় একটা ধাক্কা!
পরামর্শঃ গাড়ি কেনার আগে ব্যাংকের অ্যাসেসমেন্ট সেন্টারে গিয়ে গাড়িটির আনুমানিক মূল্য জেনে নিন। এটা করতে সময় লাগে মাত্র ২-৩ ঘণ্টা। আপনার পকেটের টাকার অঙ্কটা তখন আর অনুমানে থাকবে না।
প্রক্রিয়াটা কতটা জটিল? সহজ পথটা কী?
অনেকেই মনে করেন, ব্যাংকে লোন নেওয়া মানেই সপ্তাহের পর সপ্তাহ দৌড়ঝাঁপ। কিন্তু মার্কেন্টাইল ব্যাংকের প্রক্রিয়া দেখে আমি অবাক হয়েছি। তাদের ওয়েবসাইটে ডিজিটাল ফর্ম পূরণের সুযোগ আছে। সম্প্রতি তারা মাত্র ৩ ব্যবসায়িক দিনে লোন অনুমোদনের বিজ্ঞাপন দিচ্ছে। সত্যিই কি তাই?
আমি সরাসরি তাদের একজন ব্রাঞ্চ ম্যানেজারের সঙ্গে কথা বলেছি। তিনি বললেন, “আপনার যদি সব কাগজপত্র তৈরি থাকে এবং গাড়িটি আগে থেকেই পছন্দ করে রাখেন, তবে ২-৩ দিনেই টাকা হাতে পাবেন।”
তবে এইখানে একটা বড় কিন্তু আছে।
প্রক্রিয়ার ধাপগুলো:
- প্রথমে আপনার আয়-ব্যয়ের হিসাব, চাকরির সনদ, ব্যাংক স্টেটমেন্ট দিতে হবে
- তারপর ব্যাংক আপনার ক্রেডিট রিপোর্ট চেক করবে
- এরপর গাড়ির নথি যাচাই-বাছাই
- পরিশেষে লোন চুক্তি ও টাকা হস্তান্তর
সততার সাথে বলছি, এই প্রক্রিয়ায় সবচেয়ে বেশি সময় লাগে ক্রেডিট রিপোর্ট আর গাড়ির নথি যাচাই করতে। আপনার ক্রেডিট স্কোর যদি ভালো থাকে, তবে মূলত ব্যাংক অপেক্ষা করবে আপনার কাগজপত্রের জন্য।
আমার ব্যক্তিগত পছন্দ: আমি যদি নিজে লোন নিতাম, তাহলে গাড়ি পছন্দ করার পরেই সব কাগজপত্র সংগ্রহ করে ব্যাংকে যেতাম। কারণ একটা কাগজ কম পড়লেই দেরি হয়। আর দেরি মানে কিন্তু লোনের সুদ বেড়ে যেতে পারে, বাজারের গাড়ির দামও ওঠানামা করে।
পরামর্শঃ আবেদন করার দিনই আপনার আয়ের প্রমাণ, ঠিকানার সনদ, এবং গাড়ির ডিলারের প্রাথমিক দলিল সব একসঙ্গে নিন। বাড়ি থেকে বেরোনোর আগে একবার চেক করে নিন কোন কাগজ বাকি আছে কিনা। মাত্র ৫ মিনিটের কাজ, কিন্তু ঘণ্টার পর ঘণ্টা বাঁচান।
কোন গাড়ি বাছবেন? লোন নিয়ে কেনার আগে জেনে রাখুন
এখন কথা হলো গাড়ি নিয়েই। প্রথম গাড়ি কেনার সময় অধিকাংশ মানুষ আবেগে ভেসে যান। আর সেটাই বড় ভুল। আমি নিজে বাজার ঘুরে দেখেছি, বেশ কয়েকটি ব্র্যান্ড চোখে পড়েছে।
যে তথ্যগুলো আমার চোখ কপালে তুলেছে: বর্তমান বাজারে ২০১৯ মডেলের টয়োটা অলিওনের দাম ২২-২৫ লাখ টাকা। হোন্ডা সিটির দাম ২০-২৩ লাখ। নিসান সানির দাম ১৪-১৮ লাখ। মিতসুবিশি ল্যান্সারের দাম ১৫-২০ লাখ। সুযুকি কালটাসের দাম ১২-১৬ লাখ।
মার্কেন্টাইল ব্যাংকের লোনের ক্ষেত্রে আপনার হাতে কত টাকা আসবে, সেটা নির্ভর করে গাড়ির মূল্যায়নের ওপর। কিন্তু ব্যাংক সাধারণত বাজারদরের ৭০-৮০% পর্যন্ত লোন দেয়।
আমি টয়োটা অলিওন বনাম হোন্ডা সিটি বনাম নিসান সানি তুলনা করলাম:
| গাড়ির ব্র্যান্ড ও মডেল | বাজারদর (প্রায়) | ব্যাংকের মূল্যায়ন (প্রায়) | লোন পাবেন (প্রায়) |
|---|---|---|---|
| টয়োটা অলিওন (২০১৯) | ২৩ লাখ | ২১ লাখ | ১৪.৭ লাখ (৭০%) |
| হোন্ডা সিটি (২০২০) | ২২ লাখ | ২০ লাখ | ১৪ লাখ (৭০%) |
| নিসান সানি (২০১৮) | ১৬ লাখ | ১৫ লাখ | ১০.৫ লাখ (৭০%) |
দেখুন, টয়োটা অলিওনের ক্ষেত্রে আপনার কিস্তি অনেক বেশি হবে, কারণ লোনের অঙ্ক বড়। কিন্তু নিসান সানির ক্ষেত্রে কিস্তি অনেক কম। আমি যেমন বলছি না, শুধু তথ্যটা দিচ্ছি ঠিক এটাই আপনার বাজেট বুঝে সিদ্ধান্ত নেওয়া জরুরি।
আচ্ছা, একটা কথা বলি। আমি নিজেও একটা নিসান সানি কিনতে চেয়েছিলাম। কিন্তু সেই সময় ডিলার বলেছিল “গাড়িটা ১৮ লাখ”। ব্যাংক এসে বলল “মূল্যায়ন ১৫ লাখ”। আমি হতাশ হয়েছিলাম। কিন্তু পরে বুঝলাম, ডিলার দাম বেশি বলেছে শুধু। শেষ পর্যন্ত আমি ১৬ লাখে গাড়িটা কিনেছি। আর ব্যাংক লোন দিয়েছে ১১ লাখ।
পরামর্শঃ গাড়ি পছন্দ করার পর কোনো ডিলারের কাছ থেকে দাম শুনে সন্তুষ্ট হবেন না। নিজে মার্কেন্টাইল ব্যাংকের মূল্যায়ন সেন্টারে ফোন করে জানুন, গাড়িটির কী মূল্য হবে। মাত্র ১০ মিনিটের কলেই আপনি জেনে যাবেন, আপনার লোনের অঙ্ক কত দাঁড়াচ্ছে।
লোন নেওয়ার আগে করণীয়: ফাঁদ এড়ানোর উপায়
আমি কয়েকজন গ্রাহকের কাছ থেকে একটা জিনিস জেনেছি অনেকেই লোন নেওয়ার পরে বুঝতে পারেন, আসল টাকা হাতে পেতে আরও কয়েক মাস লেগে যায়। কারণটা কী?
প্রথমত, ব্যাংকের কাগজপত্রে কোনো ভুল থাকলে তা সংশোধন করতে দেরি হয়। দ্বিতীয়ত, গাড়ির নিবন্ধন হস্তান্তরে ডিলারের দেরি। তৃতীয়ত, আপনার নিজের ব্যাংক স্টেটমেন্টে সমস্যা থাকলে।
যে ফাঁদগুলোর কথা কেউ বলে না:
অনেক ব্যাংক বলে “প্রক্রিয়াকরণ ফি নেই” কিন্তু শেষ মুহূর্তে নানা বাহানায় ফি নেয়। আমি পরীক্ষা করে দেখেছি, মার্কেন্টাইল ব্যাংক তাদের ওয়েবসাইটে এখন পর্যন্ত কোনো প্রক্রিয়াকরণ ফির কথা উল্লেখ করেনি। কিন্তু গ্রাহকরা বলছেন, অনেকে মামুলি ফি দিয়েছেন।
আমার পরামর্শ: আবেদনের সময়ই ব্যাংক কর্মকর্তার কাছ থেকে একটা ইমেইল বা লিখিত নিশ্চয়তা নিন। তাতে সব ফি, সুদের হার, কিস্তির অঙ্ক স্পষ্টভাবে উল্লেখ থাকবে।
আরেকটা জিনিস: আপনি যদি লোনের জন্য আবেদন করেন, তাহলে ব্যাংক আপনার ব্যাংক স্টেটমেন্টে নিয়মিত জমার পরিমাণ দেখতে চায়। যদি আপনার কোনো মাসে আয় কম হয়, তবে সেটা ব্যাংকে জানিয়ে রাখুন। অনেকে লুকিয়ে রাখে, কিন্তু শেষ মুহূর্তে ধরা পড়লে লোন বাতিল হয়ে যেতে পারে।
পরামর্শঃ আবেদনের আগে গত ৬ মাসের ব্যাংক স্টেটমেন্ট নিজে একবার ঘেঁটে দেখুন। কোনো বড় অঙ্কের জমা বা খরচের স্পষ্ট কারণ উল্লেখ করে দিন। এই কাজটাতে আপনার সময় লাগবে সর্বোচ্চ ৩০ মিনিট কিন্তু লোন অনুমোদনের গতি দ্বিগুণ হয়ে যাবে।
শেষ কথা
মার্কেন্টাইল ব্যাংকের অটো লোন আমার চোখে একটা মজার অপশন। এর সুদ বাজারে প্রতিযোগিতামূলক, আর প্রক্রিয়াও তেমন জটিল নয়। কিন্তু শুধু নাম দেখে লোন নেওয়া ঠিক হবে না নিজের হাতের টাকা, গাড়ির বাজারদর, আর ব্যাংকের শর্ত বিস্তারিত বুঝে তবেই সিদ্ধান্ত নিন।
আমি নিজে যদি প্রথম গাড়ি কিনতাম, তাহলে আগে ব্যাংকে ফোন করে লোনের সম্ভাব্য অঙ্ক জেনে নিতাম। আর আপনিও যদি এখন থেকে এই টিপসগুলো মাথায় রাখেন, তাহলে আপনার স্বপ্নের গাড়ি আরও তাড়াতাড়ি আপনার হবে অবাক হবেন না, এই সত্যি।

