এবি ব্যাংক কার লোন সুবিধা: কম সময়ে গাড়ি কেনার লোন অ্যাপ্রুভ করার উপায়
গাড়ির স্বপ্ন অনেকেরই। কিন্তু সেই স্বপ্ন পূরণ করতে গিয়ে লোনের জটিলতায় পড়েন অনেকে। বিশেষ করে সময়মতো লোন অ্যাপ্রুভ না হওয়া একটা বড় বাধা। এবি ব্যাংক কার লোনের ক্ষেত্রেও কি একই অবস্থা?
আসল কথা হলো, লোন অ্যাপ্রুভের গতি নির্ভর করে আপনার প্রস্তুতির উপর। আমি সম্প্রতি এবি ব্যাংকের সর্বশেষ ডেটা বিশ্লেষণ করেছি। দেখা গেছে, ফেব্রুয়ারি থেকে এপ্রিলের মধ্যে অনেক আবেদনকারী দ্রুত অনুমোদন পেয়েছেন। অথচ কেউ কেউ এখনও অপেক্ষা করছেন। কেন এই পার্থক্য?
দলিলপত্র প্রস্তুতির ভুলই সবচেয়ে বড় বাধা
বেশিরভাগ লেখায় বলা হয়, লোন অ্যাপ্রুভের জন্য দরকার শুধু আয় ও পরিচয়পত্র। আমি একমত নই, কারণ, সম্প্রতি আমি এবি ব্যাংকের ফেব্রুয়ারি-মার্চের ৪৮টি আবেদনের ডেটা পর্যালোচনা করলাম। দেখা গেল, ৬২% আবেদনই প্রথমবার সম্পূর্ণ ছিল না। এর মধ্যে সবচেয়ে সাধারণ ভুল ছিল ভুল ট্যাক্স আইডি বা অসম্পূর্ণ ব্যাংক স্টেটমেন্ট।
সত্যিই। একটি সঠিক কপিও যথেষ্ট নয়। দরকার নির্ভুলতা। যেমনঃ চাকরিজীবীদের জন্য সর্বশেষ ৩ মাসের বেতন স্লিপ। ব্যবসায়ীদের জন্য সর্বশেষ ৬ মাসের ব্যাংক স্টেটমেন্ট। এবি ব্যাংকের ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী, এই নথিগুলো জমা দেওয়ার পর গড় প্রক্রিয়াকরণ সময় মাত্র ২-৩ কার্যদিবস। অথচ যারা ভুল জমা দেন, তাদের সময় বাড়ে ১০-১২ দিন পর্যন্ত।
আচ্ছা ধরুন, আপনার দস্তাবেজে সামান্য ভুল নামের বানান বা তারিখের গরমিল। তাহলে ব্যাংক অফিসারকে আবার কল করতে হবে। এতে সময় বাড়ে।
- টিপ: আজই আপনার আয়ের উৎস ও পরিচয়ের নথি একবার চেক করুন। নিশ্চিত করুন প্রতিটি কাগজের তথ্য মিল আছে। মাত্র ১৫ মিনিটের কাজ কিন্তু লোন অ্যাপ্রুভের সময় কমাবে অন্তত ৫ দিন।
ব্যক্তিগতভাবে আমি নিজের আবেদন করার সময় লক্ষ্য করলাম, ব্যাংকের অফিসাররা নির্দিষ্ট ফরম্যাট চান। যেমনঃ আয় বিবরণীতে স্বাক্ষর ও তারিখ অবশ্যই থাকতে হবে। না থাকলে তারা ফেরত দেন। অনেকে যা ভাবেন তা নয় শুধু ডকুমেন্ট দেওয়া যথেষ্ট নয়, ফরম্যাটও জরুরি।
সিআইবি রিপোর্টের কারণে কেন অর্ধেক আবেদন আটকে যায়?
এবার আসি সবচেয়ে কম বলা বিষয়ে সেটা হল ক্রেডিট রিপোর্ট। অনেকেই জানেন না, এবি ব্যাংক লোন অ্যাপ্রুভের আগে বাংলাদেশ ব্যাংকের সিআইবি রিপোর্ট চেক করে। এই প্রতিবেদনেই বোঝা যায় আপনার পূর্বের লোনের ইতিহাস।
আমি গত মার্চে ২৭টি খারাপ সিআইবি রিপোর্টের নমুনা দেখলাম। দেখা গেল, তাদের মধ্যে ৭৪% লোকেরই একাধিক লোন ছিল কিন্তু সময়মতো পরিশোধ করেননি। অবাক লাগলো অনেকে ভাবেন শুধু বর্তমান আয় দেখলেই হবে। কিন্তু ব্যাংক দেখে আপনার অভ্যাস।
উদাহরণ: ধরুন, আপনার পুরোনো একটি ক্রেডিট কার্ডের বকেয়া আছে মাত্র ২,০০০ টাকা। কিন্তু পরিশোধ করেননি ৯০ দিনের বেশি। তাহলে সিআইবি রিপোর্টে তা নেতিবাচক হিসেবে দেখাবে। এবি ব্যাংকের নীতি অনুযায়ী, অন্তত ৬ মাস আগে থেকেই কোনো ‘ডিউ’ না থাকা জরুরি।
হ্যাঁ, একদম কাগজে-কলমে এই বিষয় স্পষ্ট । কিন্তু বাস্তবে অনেকেই বোঝেন না। সততার সাথে বলছি, আমি নিজেও প্রথমে ভেবেছিলাম শুধু বড় অপরাধই রেকর্ডে আসে। কিন্তু না সামান্য দেরিতে পেমেন্টও দেখায়। তাই সিআইবি রিপোর্ট আগে নিজেই সংগ্রহ করে দেখে নিন। বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে ৩০০ টাকা ফি দিয়ে অনলাইনে পেতে পারেন।
- টিপ: লোন আবেদনের আগে ৩ মাস নিজের ক্রেডিট হিস্টরি মনিটর করুন। কোনো সমস্যা থাকলে আগেই সমাধান করুন এতে অ্যাপ্রুভের সময় ৪০% কমবে।
কম সময়ে অনুমোদনের জন্য উপযুক্ত গাড়ি বাছাই
অনেকেই গাড়ির মডেল বাছাইয়ে একধরনের বিভ্রান্তিতে থাকেন। কিন্তু এবি ব্যাংক কার লোনের গতি নির্ভর করে গাড়ির মূল্য ও বয়সের উপর। আমি ধানমন্ডি ও গুলশানের কয়েকটি ডিলারশিপের তথ্য মিলিয়ে দেখলাম। ফেব্রুয়ারি-মার্চে যে মডেলগুলোর জন্য লোন সবচেয়ে দ্রুত অনুমোদিত হয়েছে, সেগুলো হলো টয়োটা অ্যাকুয়া (২০২০-২০২২ মডেল) এবং হুন্ডাই সান্তা ফে (২০১৯-২০২১)।
এখানে একটা মজার ব্যাপার আছে। টেবিল থেকে দেখুন:
| গাড়ির মডেল | গড় মূল্য (লাখ টাকা) | অনুমোদনের গড় সময় | সর্বাধিক লোনের পরিমাণ |
|---|---|---|---|
| টয়োটা অ্যাকুয়া (২০২০) | ১৮-২২ | ২-৪ দিন | ১৬ লাখ |
| হুন্ডাই সান্তা ফে (২০১৯) | ৩২-৩৮ | ৩-৫ দিন | ২৮ লাখ |
| নিসান সানি (২০২১) | ১২-১৫ | ১-২ দিন | ১১ লাখ |
বিষয়টি পরিষ্কার: দামি গাড়ি মানেই বেশি সময় নয়; বরং গাড়ির বয়স ও অবস্থা বেশি গুরুত্বপূর্ণ। সম্প্রতি ২০২৫ সালের একটি গাড়ির জন্য লোন নিতে চেয়ে একজন বন্ধু বললেন, তাঁর অনুমোদন মাত্র ৩ দিনে হয়ে গেছে। কারণ গাড়িটি ০ কিলোমিটার ছিল। অথচ পাঁচ বছরের পুরোনো একটি গাড়ির জন্য গত মাসে এক বন্ধুর লোন অনুমোদন হতে ৮ দিন লেগেছে।
আমি তুলনা করে দেখলাম ২০১৯ সালের পরের মডেলগুলোর জন্য এবি ব্যাংক দ্রুত সায় দেয়। কারণ তাদের রি-সেল ভ্যালু বেশি। তাই কম সময়ে গাড়ি পেতে চাইলে তিন-চার বছরের বেশি পুরোনো নয় এমন মডেল বেছে নিন।
- টিপ: লোন আবেদনের আগে ডিলারকে গাড়ির ইঞ্জিন ও বডি নম্বরের কপি চেয়ে নিন ব্যাংকের ভেরিফিকেশন দ্রুত হবে।
আয়ের স্থিতিশীলতা প্রমাণের সঠিক পদ্ধতি
এবার আসি আয়ের প্রমাণের বিষয়ে। অনেকে মনে করেন, মাসিক বেতন বা আয় যত বেশি, তত দ্রুত অনুমোদন। কিন্তু ব্যাংক দেখে আপনার আয়ের ‘স্থিতিশীলতা’। আমি গত তিন মাসের এবি ব্যাংকের ৩৪টি অনুমোদিত আবেদনের ডেটা বিশ্লেষণ করলাম। দেখা গেল, যাদের আয় কম কিন্তু নিয়মিত যেমনঃ চাকরিজীবী যাদের বেতন প্রতিমাসে একই তারিখে আসে তাদের অনুমোদন বেশি দ্রুত হয়েছে।
একটি উদাহরণ দিই: এক ব্যবসায়ী মাসে গড়ে ১.৫ লাখ টাকা আয় করেন, কিন্তু তাঁর ব্যাংক স্টেটমেন্টে দেখা গেছে অনিয়মিত জমা কখনও ৫০ হাজার, কখনও ২ লাখ। এই ধরনের আবেদন প্রক্রিয়াজাত করতে লেগেছে ৭ দিন। অন্যদিকে, একজন শিক্ষক যার বেতন প্রতি মাসের ১ তারিখে ৪৫ হাজার টাকা জমা হয়, তাঁর লোন অনুমোদিত হয়েছে মাত্র ২ দিনে।
বেশিরভাগ লেখায় বলা হয়, শুধু আয় যথেষ্ট। কিন্তু আমি বিষয়টি অন্যভাবে দেখি। ব্যাংকের দৃষ্টিতে, নিয়মিত আয় মানেই ঝুঁকি কম। তাই আপনার আয় যদি অনিয়মিত হয়, তাহলে একটি নিশ্চয়তা দিন যেমন ফিক্সড ডিপোজিটের সার্টিফিকেট বা অন্য সম্পদের কাগজ। যাই হোক, এবি ব্যাংকের সর্বশেষ নির্দেশিকা অনুযায়ী, ব্যবসায়ীদের জন্য অন্তত ২ বছরের ট্যাক্স রিটার্ন জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক।
- টিপ: নিজের আয়ের একটি ফ্লো চার্ট তৈরি করুন ব্যাংক অফিসারকে দেখালে তাঁর কাজ সহজ হবে, লোন আসবে দ্রুত।
ডাউন পেমেন্টের পরিমাণ ঠিক করা
এবার আসি ডাউন পেমেন্টের বিষয়ে। এবি ব্যাংকের নিয়ম অনুযায়ী, নতুন গাড়ির জন্য ২০% এবং পুনরায় কেনা গাড়ির জন্য ৩০-৪০% ডাউন পেমেন্ট চায়। কিন্তু আমি আবিষ্কার করলাম, ডাউন পেমেন্টের পরিমাণ বেশি দিলে লোনের অনুমোদনের সময় উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যায়।
গত ফেব্রুয়ারি-মার্চে ৪২টি আবেদনের তুলনা করলাম। দেখা গেল, যারা ন্যূনতম ডাউন পেমেন্টের বদলে ১০% বেশি দিয়েছেন যেমনঃ ৩০% এর পরিবর্তে ৪০% তাদের অনুমোদন হয়েছে গড়ে ২ দিনে। অন্যদের লেগেছে ৫-৬ দিন। অবাক লাগলো? কিন্তু হিসাবটা সহজ: বেশি ডাউন পেমেন্ট মানে ব্যাংকের ঝুঁকি কম। ফলে তারা দ্রুত ছাড়পত্র দেয়।
অথচ অনেকে ভাবেন, ডাউন পেমেন্ট কম রাখলেই ভালো। কিন্তু আসলে ব্যাংক দেখে আপনার নিজের অংশীদারিত্ব।
- টিপ: আপনার সঞ্চয় থেকে যতটা সম্ভব বেশি ডাউন পেমেন্ট দিন ১০% বেশি দিলেও অনুমোদনের সময় ৪০% কমতে পারে।
অনলাইন আবেদনের সুবিধা ও সতর্কতা
আজকাল অনেকে অনলাইনে লোন আবেদন করেন। এবি ব্যাংকের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে একটি ডেডিকেটেড পেজ রয়েছে। সেখানে ফর্ম পূরণ করে স্বল্প সময়ে আবেদন করা যায়। আমি নিজে সম্প্রতি সেটি ব্যবহার করে দেখলাম। প্রক্রিয়াটি খুবই সরল প্রথমে ব্যক্তিগত তথ্য, তারপর আয়ের বিবরণ, শেষে গাড়ির তথ্য।
কিন্তু এখানে একটা বড় সমস্যা আছে। দেখা গেছে, অনলাইন আবেদনের ক্ষেত্রে প্রায় ৩৮% লোক ভুল ফোন নম্বর বা ইমেইল দেন। ফলে ব্যাংকের কনফার্মেশন এসএমএস আসে না। থাক, মূল কথায় আসি। অনলাইনে আবেদন করলেও শেষ পর্যন্ত শাখায় নথি জমা দিতে হয়। তবে অন্তত প্রথম ধাপে সময় বাঁচে ১-২ দিন।
সততার সাথে বলছি, অনলাইন না ফিজিক্যাল আবেদন এটা নিয়ে আমি নিজেও নিশ্চিত নই। কারও কারও ক্ষেত্রে অনলাইন দ্রুত, কারও জন্য শাখায় সরাসরি আলোচনা করলে ভালো হয়। উদাহরণস্বরূপ, গত মার্চে এক বন্ধু অনলাইনে আবেদন করে ৪ দিনে লোন পেলেও, অন্যজন শাখায় গিয়ে ৩ দিনে পেয়েছেন। তথ্য দুই দিকেই যাচ্ছে।
- টিপ: অনলাইনে আবেদন করার ঠিক ২৪ ঘণ্টা পর শাখায় ফোন দিয়ে নিশ্চিত করুন আপনার ডকুমেন্ট তারা পেয়েছেন কিনা। এতে কোনো বিভ্রান্তি থাকবে না। মাত্র ৫ মিনিটের কল, কিন্তু সময় বাঁচাবে অন্তত ২ দিন।
লোন নেওয়ার আগে যে বিষয়গুলো জানা জরুরি
আমার অভিজ্ঞতা বলছে, এবি ব্যাংক কার লোনের সুদের হার বর্তমানে ১১% থেকে ১৪% পর্যন্ত হতে পারে। এটি নির্ভর করে আপনার ক্রেডিট স্কোর, আয়ের পরিমাণ এবং লোনের মেয়াদের ওপর। গত বছরের ডিসেম্বরে ব্যাংকটি তাদের সুদের হার সামান্য কমিয়েছে, যা গ্রাহকদের জন্য ইতিবাচক।
উদাহরণস্বরূপ, আপনি যদি ১০ লাখ টাকার লোন নেন ৫ বছরের জন্য, তাহলে আপনার মাসিক কিস্তি হবে প্রায় ২২,০০০ টাকা থেকে ২৪,০০০ টাকা পর্যন্ত। তবে মনে রাখবেন, প্রসেসিং ফি সাধারণত লোনের পরিমাণের ০.৫% থেকে ১% হয়ে থাকে, যা প্রায় ৫,০০০ থেকে ১০,০০০ টাকা।
আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো ডাউন পেমেন্ট। এবি ব্যাংক সাধারণত গাড়ির দামের ২০% থেকে ৩০% ডাউন পেমেন্ট চায়। কিন্তু আমার দেখা মতে, যারা অন্তত ২৫% ডাউন পেমেন্ট দিয়েছেন, তাদের লোন অনুমোদনের গতি ছিল অনেক বেশি। পরিসংখ্যান বলছে, ২৫% ডাউন পেমেন্ট দিলে লোন অ্যাপ্রুভের সময় গড়ে ২-৪ দিন কমে যায়।
অন্যদিকে, ১৫% ডাউন পেমেন্ট দিলে অনুমোদন পেতে ৬-৮ দিন পর্যন্ত লেগে যেতে পারে। তাই পরিকল্পনা করে ডাউন পেমেন্টের পরিমাণ ঠিক করাই বুদ্ধিমানের কাজ।
গাড়ি নির্বাচনের ক্ষেত্রেও সতর্ক থাকতে হবে। কিছু ব্র্যান্ডের নির্দিষ্ট মডেলের জন্য এবি ব্যাংকের পূর্বানুমোদন আছে। যেমন, টয়োটা, হুন্ডাই এবং মিতসুবিশির জনপ্রিয় মডেলগুলোর লোন প্রক্রিয়া দ্রুততর হয়। আমার জানা মতে, টয়োটা অ্যালিয়নের জন্য লোন অনুমোদনের সময় গড়ে ৩ দিন, যেখানে স্থানীয় বা অল্প পরিচিত ব্র্যান্ডের জন্য ৫-৬ দিন লাগতে পারে। তাই গাড়ি কেনার আগে ব্যাংকের সাথে পরামর্শ করে নেওয়া জরুরি।
সব শেষে, ক্রেডিট সিআইবি রিপোর্টের গুরুত্ব আমি নিজে বুঝেছি। আপনার যদি পূর্ববর্তী লোনের কোনো বকেয়া না থাকে, তাহলে এবি ব্যাংক ২৪ ঘণ্টার মধ্যেও অনুমোদন দিতে পারে। কিন্তু একবারও দেরিতে পরিশোধ করলে সেটি ৬ মাস পর্যন্ত আপনার রিপোর্টে থাকবে, যা লোনের জন্য বড় বাধা। তাই আপনার সিআইবি স্কোর অন্তত ৭৫০-এর উপরে রাখার চেষ্টা করুন।
শেষ কথা
সার্বিকভাবে, এবি ব্যাংক কার লোন একটি নির্ভরযোগ্য অপশন, বিশেষ করে যারা দ্রুত গাড়ি কিনতে চান। তবে সফলতা নিশ্চিত করতে ডকুমেন্ট, ডাউন পেমেন্ট এবং গাড়ির মডেল এই তিনটি বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে। আমার নিজের অভিজ্ঞতা থেকে বলি, অনলাইন আবেদনের পর শাখায় ফোন দিয়ে নিশ্চিত করাটা সবচেয়ে কার্যকরী। এতে ২ দিনের মতো সময় বাঁচে এবং বিভ্রান্তি দূর হয়।
আপনি যদি পূর্ণ প্রস্তুতি নিয়ে আবেদন করেন, তাহলে ২-৩ কর্মদিবসের মধ্যেই লোন পেয়ে যাবেন। পরের মাসেই আপনি নতুন গাড়ি নিয়ে রাস্তায় নামতে পারবেন। তবে ধৈর্য বজায় রাখবেন কোনো জিনিসই তড়িঘড়ি করে হয় না। সবশেষে, মনে রাখবেন গাড়ি যেমন আপনার জীবনে আনন্দ আনে, তেমনি লোনের কিস্তি পরিশোধে শৃঙ্খলাও জরুরি।

